Thời lượng: 14m
গল্পের নাম 'কুল পাগল বউ'। গল্পের শুরুতেই দেখা যাবে সাহেব, রুমিতা আর রিয়াজ তিনজনেই খিদের জ্বালায় খুব কষ্ট পাচ্ছে। নিজেদের গাছে কিছু নেই, তাই তারা প্ল্যান করে সোহান দাদুর বাগান থেকে কুল চুরি করবে। যেই ভাবা সেই কাজ, রিয়াজ গাছে উঠে কুল ঝাড়তে থাকে আর নিচে সাহেব গামছা পেতে সেগুলো ধরে, সাথে রুমিতা পাহারা দেয়। কিন্তু হঠাৎ লাঠি হাতে সোহান দাদু চলে আসায় রুমিতা দাদুর চোখে লঙ্কার গুঁড়ো ছিটিয়ে দেয় আর ওরা জান নিয়ে পালায়। নিরাপদ জায়গায় গিয়ে খেতে বসলে দেখে যে গামছাটা আসলে ফুটো ছিল, সব কুল পড়ে গেছে, শুধু পচা দুটো কুল আর পাতা পড়ে আছে। এটা দেখে রাগে সাহেব আর রুমিতা মিলে রিয়াজকে আচ্ছা করে ধোলাই দেয়। এরপর তারা ঠিক করে দাদির গাছ থেকে কুল চুরি করবে। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখে এক এলাহি কান্ড! বাড়ির উঠোনে গুন্ডা টাইপের দেখতে ফারুক দাঁড়িয়ে আছে। সে সিমরান আর দাদিকে হুমকি দিচ্ছে যে সুদের টাকা শোধ না করলে বাড়ি আর জমি দখল করে নেবে। সিমরান আর দাদি খুব কান্নাকাটি করছে, কিন্তু ফারুক তাদের কোনো কথাই শুনছে না, উল্টে পুলিশ ডাকার ভয় দেখাচ্ছে। এসব দেখে সাহেবরা আড়ালে দাঁড়িয়ে একটা ফন্দি আঁটে। তারা যাত্রা দলের পুলিশের ড্রেস পরে, নকল গোঁফ লাগিয়ে সোজা সেই বাড়িতে হানা দেয়। সাহেব সাজে ইন্সপেক্টর আর রিয়াজ-রুমিতা সাজে কনস্টেবল। নকল পুলিশ সেজে সাহেব ফারুককে উল্টো ধমক দেয়। সে বলে যে কোনো লিগ্যাল ডকুমেন্টস ছাড়া কারো বাড়ি দখল করা আর পুলিশকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করা অনেক বড় অপরাধ। এসব বলে তাকে অ্যারেস্ট করার ভয় দেখায়। রিয়াজও পাশ থেকে ফারুককে ভয় দেখিয়ে বলে যে জেলে নিয়ে গিয়ে পিঠের চামড়া তুলে নেবে। পুলিশের ভয়ে ফারুক তখন সিমরানের পায়ে ধরে ক্ষমা চায় আর প্রতিজ্ঞা করে যে সে আর কোনোদিন ওদের বিরক্ত করবে না। ফারুক দৌড়ে পালিয়ে গেলে সাহেবরা তাদের নকল গোঁফ আর টুপি খুলে ফেলে। তখন সিমরান আর দাদি বুঝতে পারে যে এরা আসলে পুলিশ নয়, ওরাই সেই পাড়ার ছেলে। খুশিতে দাদি ওদের কুল খেতে দেয়, আর শেষে সবাই মিলে আনন্দ করে কুল খায়।...
Liên hệ: vidmatestudio@gmail.com|Bản quyền © 2026 Mọi quyền được bảo lưu