المدة: 18m
গল্পের শুরুতে দেখা যায়, সাহেব তার শ্বশুর শেরফুলের অসুস্থতার খবর পেয়ে সেবার নাম করে তড়িঘড়ি শ্বশুরবাড়িতে হাজির হয়। তবে তার আসল উদ্দেশ্য ছিল শেরফুল মিয়ার সেবা করা নয়, বরং শ্বশুরের পয়সায় রাজকীয় ভূরিভোজ করা। সাহেব তার শাশুড়ি তানিয়াকে নানা অজুহাতে বুঝিয়ে খাসির মাংস, ইলিশ মাছ এবং দামী বিরিয়ানির আয়োজন করায়, যেখানে অসুস্থ শেরফুল কিছুই খেতে পারেন না। সাহেবের স্ত্রী রুমিতা তার স্বামীর এমন কাণ্ড দেখে লজ্জিত হলেও সাহেব তাতে কর্ণপাত করে না। এমনকি ডাক্তার যখন শেরফুলকে তেল-মশলাযুক্ত খাবার একদম নিষেধ করেন, সাহেব তখন এক অদ্ভুত ‘নার্ভাস সিস্টেম’ থিওরি আবিষ্কার করে। সে দাবি করে যে, সে যদি শেরফুলের সামনে বসে শব্দ করে মজা করে বিরিয়ানি বা খাসির মাংস খায়, তবে সেই ঘ্রাণ আর শব্দে শেরফুলের স্নায়ু সচল হবে এবং তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। মাসের পর মাস পার হয়ে গেলেও যখন সাহেব ফেরার কোনো নাম নিচ্ছিল না, তখন অতিষ্ঠ হয়ে শেরফুল একটি চরম বুদ্ধি বের করেন। তিনি মিথ্যা করে সাহেবকে জানান যে, সাহেবের নিজের মা’কে বিষধর সাপে কামড়েছে। এই খবর শুনে সাহেব ভয়ে ও আতঙ্কে সব ব্যাগ গুছিয়ে দ্রুত নিজের বাড়ির দিকে দৌড় দেয়। বাড়িতে গিয়ে সে যখন দেখে তার মা দিব্যি সুস্থ আছেন, তখন সাহেবের বাবা তাকে কঠোর ভাষায় বুঝিয়ে বলেন যে, অন্যের বাড়িতে গিয়ে এভাবে পড়ে থাকা মান-সম্মানের পরিপন্থী এবং এতে আত্মমর্যাদা নষ্ট হয়। English Summary:...
اتصل بنا: vidmatestudio@gmail.com|حقوق الطبع والنشر © 2026 جميع الحقوق محفوظة